নিজস্ব প্রতিবেদক: শেয়ারবাজারের মধ্যস্থতাকারী আট প্রতিষ্ঠানের নেগেটিভ ইক্যুইটি এবং অবাস্তব লোকসানের বিপরীতে প্রয়োজনীয় প্রভিশন সংরক্ষণ ও সমন্বয়ের জন্য অতিরিক্ত সময় দিয়েছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। বাজারের বর্তমান পরিস্থিতি এবং প্রতিষ্ঠানগুলোর জমাকৃত অ্যাকশন প্ল্যান পর্যালোচনা করে শর্তসাপেক্ষে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) অনুষ্ঠিত বিএসইসির ৯৮৫তম কমিশন সভায় এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন সংস্থার চেয়ারম্যান খন্দকার রাশেদ মাকসুদ। সভা শেষে পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বাজার স্থিতিশীলতা ও মধ্যস্থতাকারী প্রতিষ্ঠানের সক্ষমতা বজায় রাখতে সময় বৃদ্ধি অনুমোদন করা হয়েছে।

সময়সীমা বাড়ানো প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে— সিটি ব্রোকারেজ লিমিটেড, ওয়ান সিকিউরিটিজ লিমিটেড, স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক সিকিউরিটিজ, বিডি সানলাইফ সিকিউরিটিজ লিমিটেড, আইএফআইসি সিকিউরিটিজ, এপেক্স ইনভেস্টমেন্টস লিমিটেড, এবাসি ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড এবং সোনালী ইনভেস্টমেন্ট পিএলসি

বিএসইসি জানিয়েছে, নেগেটিভ ইক্যুইটি, অবাস্তব লোকসানের প্রভিশন এবং অন্যান্য আর্থিক মানদণ্ড পূরণের জন্য জমাকৃত অ্যাকশন প্ল্যান বিবেচনা করে শর্তসাপেক্ষে সময় বাড়ানো হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নির্দেশনা বাস্তবায়ন করতে ব্যর্থ হলে প্রতিষ্ঠানগুলোকে নিয়ন্ত্রক নজরদারি ও শাস্তিমূলক ব্যবস্থার মুখোমুখি হতে হতে পারে।

এর আগে ১৪ নভেম্বর অনুষ্ঠিত ৯৮৪তম কমিশন সভায় আরও ২৮ প্রতিষ্ঠানকে একই কারণে অতিরিক্ত সময় দেওয়া হয়েছিল। ফলে মোট ৩৬ প্রতিষ্ঠান এখন নেগেটিভ ইক্যুইটি ও অবাস্তব লোকসান সমন্বয়ের প্রক্রিয়ার আওতায় রয়েছে।

সংস্থার ব্যাখ্যা অনুযায়ী, মধ্যস্থতাকারী প্রতিষ্ঠানের আর্থিক ভিত্তি শক্তিশালী করা ও বিনিয়োগকারীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতেই প্রভিশন সংরক্ষণ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। তবে সাম্প্রতিক বাজার পরিস্থিতির কারণে অনেক প্রতিষ্ঠান নির্ধারিত সময়ের মধ্যে মানদণ্ড পূরণে সক্ষম হয়নি।

S

Sadat Hossain Sadman

View all posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *