Amader Pujibazar নিজস্ব প্রতিবেদক : বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি ও আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক উত্তেজনার প্রভাবে দেশের শেয়ারবাজারে অস্থিরতা অব্যাহত রয়েছে। রোববার (১৯ এপ্রিল) সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে সূচকের সামান্য পতনের মধ্য দিয়ে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) লেনদেন শেষ হয়েছে। টাকার অংকে লেনদেন কিছুটা বাড়লেও অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ারের দরপতন হয়েছে।
বাজারের অস্থিরতার কারণ
বাজার বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল ও ইরানকে ঘিরে চলমান ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা বিনিয়োগকারীদের মধ্যে অনিশ্চয়তা তৈরি করছে। যুদ্ধবিরতির খবর এলে বাজারে সাময়িক ঊর্ধ্বগতি দেখা যায়, কিন্তু পরিস্থিতি বদলালে আবার সূচক নিম্নমুখী হয়। তাদের মতে, যুদ্ধ পরিস্থিতি না থাকলে বাজার আরও স্থিতিশীল ও চাঙা থাকত। তবে বড় ধরনের ধসের আশঙ্কা না থাকায় বিনিয়োগকারীদের সতর্কতার সঙ্গে লেনদেন করার পরামর্শ দিয়েছেন তারা।
ডিএসইর সূচক ও লেনদেন চিত্র
ডিএসই সূত্রে জানা গেছে, এদিন প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ৯.৩০ পয়েন্ট কমে ৫,২৪৭.৫৩ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। ডিএসইএস সূচক ৪.২২ পয়েন্ট কমে ১,০৬২.২১ পয়েন্টে নেমেছে। তবে ব্লু-চিপ সূচক ডিএসই-৩০ সামান্য ০.০৮ পয়েন্ট বেড়ে ১,৯৯০.৩১ পয়েন্টে উন্নীত হয়েছে।
এদিন ডিএসইতে মোট ৪০৪টি কোম্পানির শেয়ার লেনদেন হয়। এর মধ্যে ১২৫টির দর বেড়েছে, ২২৩টির দর কমেছে এবং ৫৬টির দর অপরিবর্তিত ছিল। মোট লেনদেনের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ৮১৯ কোটি ২০ লাখ টাকা, যা আগের কার্যদিবসের ৮০৬ কোটি ১৫ লাখ টাকার তুলনায় প্রায় ১৩ কোটি টাকা বেশি।
সিএসইর সূচক ও লেনদেন
চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) একই দিনে ৪১ কোটি ৭৯ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে, যা আগের দিনের ৩১ কোটি ৪২ লাখ টাকার তুলনায় বেশি। সিএসইতে মোট ১৯৮টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার লেনদেন হয়, যার মধ্যে ৫৬টির দর বেড়েছে, ১০৭টির কমেছে এবং ৩৫টির দর অপরিবর্তিত ছিল।
দিন শেষে সিএসইর সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ২.৫৩ পয়েন্ট কমে ১৪,৭৫৯.২০ পয়েন্টে অবস্থান করছে। আগের কার্যদিবসে এই সূচক ৪.৯১ পয়েন্ট বেড়েছিল।







Leave a Reply