আমাদের পুঁজিবাজার নিজস্ব প্রতিবেদক : কালো টাকার মালিকদের আবারও সাধারণ ক্ষমার সুযোগ দিচ্ছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। তবে এবারের বাজেটে কালো টাকা সাদা করার ক্ষেত্রে কর পাঁচ শতাংশ বৃদ্ধি পাচ্ছে।
এনবিআর কর্মকর্তারা বলেছেন, আগামী অর্থবছরে ১৫ শতাংশ কর দিয়ে অবৈধ সম্পদ বৈধ করা যাবে। এটা নিয়ে কোনো সংগঠন প্রশ্ন তুলতে পারে না।
এর আগে, করোনার কারণে টালমাটাল অর্থনীতির গতি ফিরিয়ে আনতে ২০২০-২১ অর্থবছরে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের পাশাপাশি ১০ শতাংশ কর দিয়ে অবৈধ সম্পদ বৈধ করার সুযোগ দেয় এনবিআর। তখন বিধান করা হয়েছিল, সুযোগ গ্রহণকারীরা কোথাও প্রশ্নের মুখে পড়বেন না।
এনবিআরের তথ্যমতে, তখন ১১ হাজার ৮৫৯ জন ফ্ল্যাট, অর্থ ও বিনিয়োগে দেখিয়েছিলেন। এতে বৈধ হয় প্রায় ২০ হাজার কোটি টাকা। এতে প্রায় দুই হাজার কোটি টাকা ট্যাক্স আসে।
দেদেশটির অর্থনীতি এখনো নজিরবিহীন সংকটে রয়েছে। সরকারের যেমন খরচ মেটাতে বেশি অর্থের প্রয়োজন, তেমনি অর্থনীতিতেও অর্থপ্রবাহ বাড়াতে হবে। তাই আবারও সম্পদ বৈধ করার সুযোগ দিতে চায় এনবিআর।
কর্মকর্তারা জানান, ১৫ শতাংশ কর পরিশোধ করে গোপন ফ্ল্যাট, নগদ অর্থ, সঞ্চয়পত্র আয়কর রিটার্নে দেখানোর সুযোগ দেওয়া যাবে। সুবিধা গ্রহণকারীরা কোন আইনি ঝামেলায় পড়বেন না, সেই নিশ্চয়তাও থাকতে পারে।
অর্থনীতিবিদরা বলছেন, অল্প কর দিয়ে কালো টাকা সাদা করার সুযোগ রাজস্ব ব্যবস্থায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে। কালো টাকার মালিকদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার পরামর্শ তাদের।
গবেষণা সংস্থা সিপিডির জ্যেষ্ঠ তৌফিকুল ইসলাম খান বলেন, ‘বছরের পর বছর এই সুবিধা আপনার আছে। অন্যদিকে এটার বিরুদ্ধে অ্যাকশন নেওয়ার মতো বড় কোনো ধরনের প্রাতিষ্ঠানিক কার্যক্রম নেই। ফলে সার্বিক ভাবেই এটার কার্যকারিতা আর পরে থাকে না। আমি মনে করি প্রাথমিকভাবে এখন সরকারের পক্ষ থেকে যেটা করা দরকার সেটা হলো কালো টাকা কমানোর জন্য প্রাতিষ্ঠানিকা উদ্যোগ নেওয়া।’
ঢাকা চেম্বারের সাবেক সভাপতি রিজওয়ান রহমান বলেন, ‘আমার যদি মনোবল দুর্বল হয়ে থাকে, আমি তখন সাদা টাকা থেকে কালো টাকা আয় করার চেষ্টা করব। সাদা টাকা আয় করলে আমার খরচ দিতে হবে ৩০ শতাংশ। আর যদি কালো টাকা আয় করি, তাহলে আমার খরচ দিতে হবে ১৫ শতাংশ। এটা আসলে বিশ্বের কোথাও নেই। এই আইন একমাত্র বাংলাদেশেই চলে। এটা কোনো অর্থনীতির জন্যই ভালো নয়।’
এর আগে ২০২২-২৩ অর্থবছরের বাজেটে বিদেশে পাচার করা অর্থ মাত্র সাত শতাংশ কর দিয়ে ফিরিয়ে আনার সুযোগ দেওয়া হয়। কিন্তু একজনও সে সুযোগ গ্রহণ করেননি।

Facebook Comments Box
মার্কেন্টাইল ব্যাংক দ্বিগুণবৃদ্ধি আমানত প্রকল্প - মাত্র ৬ বছর ১০ মাসে সঞ্চয় দ্বিগুণ | Mercantile Bank PLC Double Savings Deposit Scheme Bangladesh
Mercantile Bank PLC Double Savings Deposit Scheme - দ্বিগুণবৃদ্ধি আমানত প্রকল্প
BGIC insurance policy Bangladesh general insurance company ad
BGIC Insurance Policy Bangladesh
Bangladesh National Insurance Company BNICL AAA Credit Rating by Emerging Credit Rating Ltd ECRL - Achieving New Heights | বাংলাদেশ ন্যাশনাল ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড
BNIC Bangladesh National Insurance Company Ltd - AAA Credit Rating 2025
লংকাবাংলা ফাইন্যান্স ডিপোজিট স্কিমস বিজ্ঞাপন | Amader Pujibazar
লংকাবাংলা ফাইন্যান্স তাদের গ্রাহকদের জন্য বিভিন্ন ধরণের আকর্ষণীয় ডিপোজিট স্কিমস অফার করে। বিস্তারিত জানতে অফিসিয়াল সাইট ভিজিট করুন বা নিকটস্থ ব্রাঞ্চে যোগাযোগ করুন।
S

Sadat Hossain Sadman

View all posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *