1. sadathossainsadman@gmail.com : Sadat Hossain Sadman :
  2. arifulsaurov@gmail.com : Ariful Saurov : Ariful Saurov
শেয়ারবাজারে ২০ হাজার কোটি টাকার অনিয়মের অভিযোগ - Amader Pujibazar
Saturday, 29 November 2025, 03:04 PM
🔴 শিরোনাম
২৬ নভেম্বর ব্লক মার্কেটে তিন কোম্পানির বড় লেনদেন

৬ কোম্পানির চাপে থমকে গেল ডিএসই সূচকের অগ্রযাত্রা

ডিএসইতে দুই বছরে সর্বোচ্চ টার্নওভার করল দুই কোম্পানি উত্থানের পর ফের শেয়ারবাজারে মন্দার ছায়া ব্যাংকের এমডি ও সিইও নিয়োগে অভিজ্ঞতার শর্ত কঠোর করল বাংলাদেশ ব্যাংক নেগেটিভ ইক্যুইটি সমন্বয়ে আরও ৮ প্রতিষ্ঠানের সময় বাড়াল বিএসইসি ২৫ নভেম্বর ডিএসইতে লেনদেনের শীর্ষে খান ব্রাদার্স ও শাহজিবাজার পাওয়ার ২৫ নভেম্বর ব্লক মার্কেটে সিমটেক্স, ন্যাশনাল ব্যাংক ও ওরিয়ন ইনফিউশনের বড় লেনদেন ১০ খেলোয়াড় নিয়ে ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে এভারটনের ঐতিহাসিক ১–০ জয় লোকসান বাড়লেও বাংলাদেশ থাই অ্যালুমিনিয়ামের শেয়ারদামে ইতিবাচক গতি
Dhaka Stock Exchange (DSE)
📈 DSEX: Loading... | 📊 DS30: Loading... | 💹 DS50: Loading...

Top Gainers & Losers

▲ Top Gainers
CompanyPriceChange
▼ Top Losers
CompanyPriceChange

শেয়ারবাজারে ২০ হাজার কোটি টাকার অনিয়মের অভিযোগ

আমাদের পুঁজিবাজার ডেস্ক :
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ২ জুলাই, ২০২৫

২০০৯-১০ সালের শেয়ারবাজার কেলেঙ্কারির ঘটনা এখনো দেশের অর্থনৈতিক ইতিহাসে এক কালো অধ্যায় হিসেবে বিবেচিত। সেই সময়কার ভয়াবহ ধসে বিপুলসংখ্যক বিনিয়োগকারী তাদের সঞ্চয় হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়েন। এই ঘটনা তদন্তে গঠিত হয়েছিল একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি, যার নেতৃত্বে ছিলেন প্রয়াত ব্যাংকার খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ।

তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, শেয়ারবাজারে একাধিক প্রভাবশালী ব্যক্তি ও গোষ্ঠী পরিকল্পিতভাবে দরবৃদ্ধির কারসাজিতে যুক্ত ছিলেন। প্রতিবেদনে সাবেক পরিকল্পনামন্ত্রী ও অর্থনৈতিকভাবে প্রভাবশালী ব্যক্তি লোটাস কামালের নাম উঠে আসে। অভিযোগ রয়েছে, তিনি ও তাঁর ঘনিষ্ঠ মহল একটি সিন্ডিকেটের মাধ্যমে শেয়ার বাজারে প্রভাব বিস্তার করে প্রায় ২০ হাজার কোটি টাকার সম্পদ আত্মসাৎ করেছেন। যদিও এসব অভিযোগের কোনো আইনি নিষ্পত্তি এখনো হয়নি।

তদন্ত অনুযায়ী, ওই সময় লোটাস কামাল বিভিন্ন লোকসানি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারমূল্য অস্বাভাবিকভাবে বাড়াতে প্রভাব খাটান এবং কিছু প্রতিষ্ঠানের আয়-ব্যয়ের তথ্য গোপন রেখে বিনিয়োগকারীদের বিভ্রান্ত করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাঁর অর্থমন্ত্রিত্বকালেও শেয়ার কেলেঙ্কারি চলমান ছিল।

তালিকাভুক্ত একটি প্রতিষ্ঠান ‘সিএমসি কামাল টেক্সটাইল’ ঘিরে তৎকালীন সংসদ সদস্য আ হ ম মুস্তফা কামালের নামও উঠে আসে। তদন্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রতিষ্ঠানটি লোকসানি হওয়া সত্ত্বেও তার শেয়ারমূল্য ১৬ গুণ বেড়ে যায়, যার পেছনে ছিল স্টক ডিভিডেন্ড ঘোষণা, সম্পদ পুনর্মূল্যায়ন ও রাইট শেয়ার ইস্যুর ঘোষণা। যদিও মুস্তফা কামাল এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন এবং বলেন, তিনি কেবল স্টক ডিভিডেন্ড হিসেবে পাওয়া শেয়ার বিক্রি করেছেন, মূল শেয়ার নয়।

তবে সমালোচকরা মনে করেন, এসব কার্যকলাপ বিনিয়োগকারীদের ক্ষতির কারণ হয়েছে এবং তা নিরপেক্ষ তদন্ত ও জবাবদিহিতার দাবি রাখে। শেয়ারবাজারে দীর্ঘমেয়াদি আস্থা ফিরিয়ে আনতে হলে অতীতের কেলেঙ্কারির নিরপেক্ষ তদন্ত ও দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ জরুরি।

তদন্ত প্রতিবেদনে সুপারিশ করা হলেও শেয়ার বাজার কারসাজিতে অভিযুক্ত কারো বিরুদ্ধেই উল্লেখযোগ্য শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। ফলে বাজারে অনিয়মের সংস্কৃতি দৃঢ় হয়েছে বলে অনেক অর্থনীতিবিদ ও বাজার বিশ্লেষক মনে করেন।

Facebook Comments Box

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরও খবর
সম্পাদকীয় চেয়ারম্যান : কাজী আব্দুর রাজ্জাক , সম্পাদক : শাহনাজ বেগম

© 2025 আমাদের পুঁজিবাজার | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট : SAMI Creative Agency

© All rights reserved © 2025 Amader Pujibazar
Theme Customized By SAMI Creative Agency