নিজস্ব প্রতিবেদক : বাংলাদেশের তৃতীয় বৃহত্তম মোবাইল অপারেটর বাংলালিংক প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে শেয়ারবাজারে আসার জন্য বর্তমানে সম্পূর্ণরূপে প্রস্তুত।

তবে নানা কারণে শেয়ারবাজারে পরিস্থিতি অনুকূল নয় বলে বর্তমানে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে কোম্পানিটি। বাংলালিংকের চিফ কর্পোরেট অ্যান্ড রেগুলেটরি অ্যাফেয়ার্স অফিসার তাইমুর রহমান সংবাদ মাধ্যমকে এমন তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি বাংলালিংকের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের কারণ হিসেবে আসন্ন জাতীয় নির্বাচন, রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা এবং শেয়ারবাজারে টেলিকম কোম্পানিগুলোর প্রত্যাশার চেয়ে দুর্বল পারফরম্যান্সকে উল্লেখ করেন।

তবে ২০২৪ সালের প্রথম ভাগে আইপিও’র মাধ্যমে বাংলালিংক শেয়ারবাজারে আসার সম্ভাবনা সম্পর্কে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।

এর আগে ২০২২ সালের শুরুর দিকে বাংলালিংক ডিজিটাল কমিউনিকেশনস লিমিটেড তার পরিশোধিত মূলধনের ১০ শতাংশ অফলোড করে আইপিওর মাধ্যমে শেয়ারবাজার থেকে তহবিল সংগ্রহ করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছিল।

১০ টাকা অভিহিত মূল্য বা ফেস ভ্যালুতে আইপিওতে কোম্পানিটির পরিশোধিত মূলধনের ১০ শতাংশ শেয়ার বিক্রি করতে আগ্রহ দেখিয়েছে। বর্তমানে বাংলালিংকের পরিশোধিত মূলধন ৮ হাজার ৪০০ কোটি টাকা।

সিকিউরিটিজ আইন অনুযায়ী, কোনো কোম্পানির পরিশোধিত মূলধন ১৫০ কোটি টাকার বেশি হলে আইপিওতে পরিশোধিত মূলধনের ন্যূনতম ১০ শতাংশ শেয়ার ছাড়তে হয়। সেই হিসাবে আইপিও–পরবর্তী পরিশোধিত মূলধনের ১০ শতাংশ শেয়ার বাজারে ছাড়তে হলে কোম্পানিটিকে ৯০০ কোটি টাকার বেশি শেয়ার বিক্রি করতে হবে।

বিএসইসি সূত্রে জানা গেছে, বাংলালিংক আইপিওতে আসার আগ্রহ দেখালেও কোম্পানিটির পরিশোধিত মূলধন বেশি হওয়ায় সাধারণ বিনিয়োগকারীদের স্বার্থের বিষয়টি নিশ্চিত করতে চায় নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসি। এজন্য বিএসইসির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, কোম্পানিটি যদি প্রতিবছর সাধারণ বিনিয়োগকারীদের ন্যূনতম ১০ শতাংশ ডিভিডেন্ড দেওয়ার নিশ্চয়তা দেয়, তাহলে আইপিওর বিষয়টি বিবেচনা করা হবে। এক্ষেত্রে বিএসইসিও কোম্পানিটিকে এ–ও বলেছে, তালিকাভুক্তির পর যদি কোনো কারণে কোম্পানির মুনাফা কমে যায়, তাহলে উদ্যোক্তাদের আগে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের ডিভিডেন্ড দেওয়ার বিষয়টিকে সর্বাধিক গুরুত্ব দিতে হবে।

বাংলালিংকের শতভাগ মালিকানা রয়েছে নেদারল্যান্ডসভিত্তিক কোম্পানি ভিওন লিমিটেডের হাতে। ২০২২ সালের আর্থিক প্রতিবেদনে বাংলালিংকের বার্ষিক আয় আগের বছরের চেয়ে ১২.০১ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫ হাজার ৩৪৭ কোটি টাকায়। প্রথমবারের মতো গত বছর কোম্পানিটির রাজস্ব আয়ে ১২ শতাংশের বেশি প্রবৃদ্ধি হয়েছে। এরই মধ্যে কোম্পানিটির গ্রাহকসংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪ কোটিতে।

শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হলে বাংলালিংকই হবে সবচেয়ে বড় মূলধনি কোম্পানি। বর্তমানে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বড় মূলধনি কোম্পানি রবি আজিয়াটা। এটির পরিশোধিত মূলধন প্রায় ৫ হাজার ২৩৮ কোটি টাকা। ২০২০ সালের ডিসেম্বরে রবি আজিয়াটা শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হয়। এর আগে টেলিকম খাতের প্রথম কোম্পানি হিসেবে ২০০৯ সালে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হয় গ্রামীণফোন। বর্তমানে কোম্পানিটির পরিশোধিত মূলধন প্রায় ১ হাজার ৩৫০ কোটি টাকা।

Facebook Comments Box
মার্কেন্টাইল ব্যাংক দ্বিগুণবৃদ্ধি আমানত প্রকল্প - মাত্র ৬ বছর ১০ মাসে সঞ্চয় দ্বিগুণ | Mercantile Bank PLC Double Savings Deposit Scheme Bangladesh
Mercantile Bank PLC Double Savings Deposit Scheme - দ্বিগুণবৃদ্ধি আমানত প্রকল্প
BGIC insurance policy Bangladesh general insurance company ad
BGIC Insurance Policy Bangladesh
Bangladesh National Insurance Company BNICL AAA Credit Rating by Emerging Credit Rating Ltd ECRL - Achieving New Heights | বাংলাদেশ ন্যাশনাল ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড
BNIC Bangladesh National Insurance Company Ltd - AAA Credit Rating 2025
লংকাবাংলা ফাইন্যান্স ডিপোজিট স্কিমস বিজ্ঞাপন | Amader Pujibazar
লংকাবাংলা ফাইন্যান্স তাদের গ্রাহকদের জন্য বিভিন্ন ধরণের আকর্ষণীয় ডিপোজিট স্কিমস অফার করে। বিস্তারিত জানতে অফিসিয়াল সাইট ভিজিট করুন বা নিকটস্থ ব্রাঞ্চে যোগাযোগ করুন।
S

Sadat Hossain Sadman

View all posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *